রসগোল্লা খেতে আমরা কে না পছন্দ করি, আমার ও খুব প্রিয় এই রসগোল্লা। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন আসে রসগোল্লা এই খেতে আমাদের দেশে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব, স্পঞ্জ রসগোল্লা, এদেরকে আপনারা10 মিনিট স্পঞ্জ রসগোল্লা বলতে পারেন। কারণ এটা বানাতে 10 মিনিটের বেশি লাগবে না।
এবার চলুন তাহলে রসগোল্লা রেসিপি টা দেখে নেওয়া যাক,,,,,,,,,,,,,, একদমই easy করে আপনাদের সথে শেয়ার করলাম।
আমি এখানে গুড়া দুধের রসগোল্লা বানাচ্ছি, আপনারা লিকুইড দুধ ও নিতে পারেন।
লিকুইড দুধ টা আমাদের সবারই হাতের কাছে থাকে তাই, আমি আজকে গুড়া দুধ ব্যবহার করলাম।
গুড়া দুধের রসগোল্লা বানানোর জন্য এখানে আমি এক কাপ গুড়া দুধ নিয়েছি। আর অন্যদিকে একটা বাটিতে দিতে হবে এক টেবিল চামচ ভিনিগার আর এক টেবিল চামচ জল ভিনিগার টা জলের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে এক সাইডে রেখে দিতে হবে। তারপরে প্যানে দিতে হবে 1 কাপ গুঁড়া দুধ। এখানে এক কাপ গুড়া দুধের জন্য দুই কাপ জল দিতে হবে, এর বেশি জল দেওয়া যাবে না। তারপর জলটা দিয়ে দুধের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তো আমার এখন মেশানো হয়ে গেছে, এবার লিকুইড দুধ রেডি। এবার চুলাতে প্যান বসিয়ে ওই লিকুইড দুধ টা দিয়ে জাল করে যেতে হবে। জাল করতে করতে যখন দুধ টা ফুটে যাবে, সে পর্যায়ে চুলা টা বন্ধ করে দিতে হবে। চুলাটাকে বন্ধ করে দিয়ে দুধ টা গরম থাকা অবস্থায় ভিনিগার ও জলের মিশ্রণ টা দিয়ে দিতে হবে। তারপরে দুধ টাকে একটু নাড়াচাড়া করলেই দেখা যাবে যে ছানা হতে শুরু করেছে। তো আমার এখন ছানাটা রেডি এবার ঢেলে নেওয়ার পালা। ছানা টা ঢালার জন্য প্রথমে একটা পাত্রে একটা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে তার ওপরে ছানাটা ঢেলে দিতে হবে। তারপর কাপড়টা ধরে তুলে একটু ঠান্ডা জল দিয়ে চেপে চেপে ছানাটা ধুয়ে জলটা বের করে নিতে হবে। এই ছনা টা কোনোরকম ঝুলিয়ে রাখার দরকার নেই। তো আমার এখন ছানা রেডি, এবার একটা বাসনে ছানা টা ঢেলে ভালোভাবে মুথে নিতে হবে। এখন আমার এই ছানা টা খুব ভালোভাবে মুথে নেওয়া হয়ে গেছে এবং খুব সফট হয়েছে। এবার ছানাটা থেকে যে কটা মিষ্টি তৈরি করবো, সেকটা মিষ্টি একটা ছুরি সাহায্যে কেটে নেব। তো আমার এখন কাটা হয়ে গেছে, এবার গোল গোল করে মিষ্টি তৈরি করে নেবো। আমার এখন সব মিষ্টি তৈরি। এবার চুলাতে প্যান বসিয়ে দুই কাপ চিনি দিয়ে দেবো। দুই কাপ চিনি দেওয়ার পর এখানে ওই কাপ দিয়ে মেপেই তিন কাপ জল দিতে হবে। এর বেশি জল দেওয়া যাবেনা। এবার এখন চিনির সাথে জল খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। যখন চিনির সিরাপ ফুটতে শুরু করবে ঠিক ওই পর্যায়ে দিতে হবে তিনটের মতো এলাচ। যদি আপনারা এলাচ দিতে চান তাহলে দিতে পারেন। তবে এটা না দিলেও চলবে। এখন আমার চিনির সিরাপ টা ফুটছে এই সময় মিষ্টির বল গুলো দিয়ে দিতে হবে। এবার চুলা টাকে কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মিষ্টিগুলো 10 মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। 10 মিনিটের বেশি রাখা যাবে না। 10 মিনিট পর দেখা যাবে যে মিষ্টি গুলো ফুলে এসেছে। ঠিক এই পর্যায়ে চুলা টা বন্ধ করে দিতে হবে। তারপর এক ঘন্টার জন্য মিষ্টি গুলোকে আমি ফ্রিজে ঠান্ডা হওয়ার জন্য রেখে দিলাম।
এখন এক ঘন্টা হয়ে গেছে। এখন আমার মিষ্টি রেডি, মিষ্টি গুলোকে বের করার পর থেকেই রকম দেখতে হবে 🖕🖕
এবার মিষ্টি গুলোকে নামিয়ে পরিবেশন করার পালা।
একটা স্পঞ্জ রসগোল্লা খেতে খেতে বিদায় নিচ্ছি,
ভিতরটা ঠিক এইরকম স্পঞ্জি হয়েছে👇👇
উপরে আমার বলার টিপস গুলো ফলো করলে, অবশ্যই আপনারা আমার মতই স্পঞ্জি রসগোল্লা তৈরি করতে পারবেন।
🥰🥰Thank you all so much for being with me for so long🥰🥰
Everyone will be well and healthy,😊😊
good luck to everyone😘😘
0 Comments