Header Ads Widget

কারিগরি ও বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষার মধ্যে সম্পর্ক নিরূপণ করো।

 

কারিগরি ও বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষার মধ্যে সম্পর্ক নিরূপণ করো। অথবা, বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষা কাকে বলে? উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক আলোচনা করো।


সংজ্ঞা : 

আর্থিক চাহিদা মানুষের চাহিদাগুলির মধ্যে অন্যতম। আর্থিক চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে ব্যক্তিকে বৃত্তি বা পেশা গ্রহণ করতে হয়। কিন্তু পেশাগত দক্ষতা আপনা থেকেই তৈরি হয় না, এজন্য প্রশিক্ষণ দরকার। বিশেষজ্ঞ ও দক্ষ কারিগরেরা এই বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মপটু করে তুলতে পারেন। 


যে শিক্ষা বিশেষ ধরনের বৃত্তিমুখী ও কারিগরি কাজ করার জন্য পরিকল্পিত মানবসম্পদ সৃষ্টিতে ভূমিকা পালন করে তাকেই বলা হয় বৃত্তিমুখী বা বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা। উভয় ধরনের। শিক্ষার ধারণার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও যথেষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে যেমন—

1.সর্বজনীনতার অভাব : বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষার কোনোটিই সর্বজনীন নয়। তাই সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারে না।


2.প্রয়োগক্ষেত্র : দুই ধরনের শিক্ষার মূল বৈশিষ্ট্য ব্যাবহারিক জ্ঞানার্জন ও বাস্তব ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ।


3.লক্ষ্য : বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষার লক্ষ্য ছাত্র-ছাত্রীদের কোনো বৃত্তিগত পারদর্শিতা অর্জনে সহায়তা করা।


4.কাজের সুযোগ : উভয় প্রকার শিক্ষাই ব্যক্তিকে কাজের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।

5.আর্থিক সহায়তা : কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যক্তির আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


6. কর্মকেন্দ্রিক শিক্ষা : কোনো কর্মক্ষেত্রকে সামনে রেখে উভয় প্রকার শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হয়।


7.নির্দিষ্ট পাঠক্রম নেই : বৃত্তিমুখী ও কারিগরি শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সাধারণ বা বিশেষ পাঠক্রম থাকে না।


8.জ্ঞানের বিশেষীকরণ : কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় জ্ঞানের বিশেষীকরণের সুযোগ থাকে। এক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে সম্পূর্ণ বিষয়গত জ্ঞানের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অংশের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের সুযোগ ঘটে।

9.সৃজনশীলতার সুযোগ : উভয় প্রকার শিক্ষায় ব্যক্তির সৃজনশীলতা ও আত্মবিকাশের সুযোগ রয়েছে।


পরিশেষে বলা যায়, উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।




Post a Comment

0 Comments